রাজধানীর বেইলি রোড মূর্হতেই মৃত্যুপুরীর শহর, যেখানে জীবনপুড়ে অঙ্গার কারো সন্তান, কারও পিতা আবার কারও স্বামী বা স্ত্রী, পিতা-মাতা স্বজনের আর্তনাদ শোকে নিথর। সাধারন জনতার ক্ষণিকের শোক প্রকাশ আবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে হতবিহবল মানুষ। অগ্নিকাণ্ডের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানুষ দীর্ঘশ্বাসের সঙ্গে তুলে রেস্তোরাঁর অগ্নি নিরাপত্তার কথা। চোখের সামনে পুড়ছে জীবন। যেখানে নেই নিয়মের বালাই ভবনগুলোর বেশিরভাগেই গ্যাস সিলিন্ডার ভবনের নিচে বাইরের অংশে। অগ্নিনির্বাপনকারী সংস্থার কাছ থেকে ছাড়পত্র থাকলেও ফায়ার এক্সটিংগুইশার দেখা মিলে না বেশির ভাগ জায়গায়। সার্টিফিকেশন তথা অনুমোদনের এই ভুয়া প্রক্রিয়া বা আইনের প্রতি সম্মান না করাই এই অবহেলাজনিত কারণে অগ্নিকাণ্ড। দুর্ঘটনা ঘটলে দায় নিতে চায় না কেউ। বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডের পরও দেখা গেলে একই চিত্র। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাষ্ট্রের অবহেলার কারণেই এতোগুলো মানুষের প্রাণহানি। রাজধানীর এক একটি আধুনিক ভবন যেন এক একটি মৃত্যুফাঁদ!যে কোন সময় বিষ্ফোরিত হয়ে নিয়ে নিতে পারে মানুষের জীবন। রাষ্ট্রের প্রদত্ত আইন কেউ মানে না। নেই কারও কোন দায়-বদ্ধতা। যে কারণে প্রতিনিয়ত ঘটেছে ভয়াবহ দূর্ঘটনা।
তাই বলতে হয়- চিৎকার করে কাদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার, বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার, কতটুকু অশ্রু গড়ালে হৃদয় জলে সিক্ত,কত ব্যথা বুকে চাপালেই তাকে বলি আমি ধৈর্য নির্মমতা কতদূর হলে জাতি হবে নির্লজ্জ। যার চলে যায় সেই বুঝে হায় বিচ্ছেদে কী যন্ত্রণা। চাহিনা সহিতে আমার মাটিতে মজলুমের আর্তনাদ
অভিজাত হোটেল-রেস্তোরাঁ যেন মৃত্যুফাঁদ, দায় কার?
previous post
