জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে জঙ্গিবাদের উত্থান হতে পারে যা আমাদের জন্য ভীষণভাবে উদ্বেগজনক ও শঙ্কার বিষয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গত ৫ আগস্টের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ২ হাজার ২০০ জন কারাবন্দি পালিয়েছে। এর মধ্যে ৭০ জন জঙ্গিসহ ৭০০ বন্দি এখনো পলাতক রয়েছে। কারাগারে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ১১ জন জামিনে মুক্ত হয়েছে। জঙ্গিরা নানাভাবে নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে তবে সক্রিয় জঙ্গি সংগঠনগুলো। চক্রান্তকারী মহলের কেউ কেউ শিক্ষার্থীদের হাতে আইএস পতাকা প্রদর্শন করছে, বিভিন্ন বিতর্কিত স্লোগান দিয়েছে। প্রশাসনের দাবী দেশে জঙ্গি তৎপরতা এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু জঙ্গি দমন অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত থাকা সত্ত্বে ও নব্য জেএমবি বা অন্য জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর গোপন তৎপরতা কীভাবে ও কিসের জোরে চলতে পারছে, তা গভীরভাবে জানার চেষ্টা করা দরকার। জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর অর্থায়ন কখনোই পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, তাদের জনবল সংকটও কখনো স্থায়ী হয়নি। আমরা মনে করি, জঙ্গি অর্থায়ন বন্ধ হলে এদের তৎপরতাও কমে যাবে। জঙ্গিদের যে অর্থ তা খুব একটা দেশের বাইরে থেকে আসে না। অভ্যন্তরীণ লেনদেনের মাধ্যমেই জঙ্গিদের হাতে অর্থ যায়। এ বিষয়ে নজরদারি বাড়াতে হবে। সর্বোপরি জঙ্গি দমনে জঙ্গিগোষ্টর ওপর কঠোর নজরদারি রাখা জরুরি।
৭০ জঙ্গি পলাতক সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা, উদ্বেগজনক শঙ্কা
previous post
