জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তাহরিরকে বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করা হয় ২০০৯ সালের ২২ অক্টোবর। এরপর থেকে এ পর্যন্ত এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে অন্তত ৪ শতাধিক সদস্যকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতার মাঝেও বিভিন্ন সময়ে সরকারবিরোধী পোস্টার লাগানো, লিফলেট বিতরণ এমনকি অনলাইন সম্মেলন করে আসছে হিজবুত তাহরির। নিষিদ্ধ এ সংগঠনে বিভিন্ন পেশাজীবী সদস্য রয়েছেন।
নিষিদ্ধ ঘোষিত এ সংগঠন এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়াতে উলাইয়া বাংলাদেশ নামে তৎপরতা চালাচ্ছে।হিজবুত তাহরিরের সদস্যদের অধিকাংশই বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং পেশাজীবী। বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন অশিক্ষিত এবং অল্প শিক্ষিত লোকজনকে দলে ভেড়ায়। হিজবুত তাহরিরের গ্রেফতারদের ৯৯ শতাংশই পেশাজীবী বা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
প্রচার পুস্তিকায় হিজবুত তাহরির সংগঠনের মধ্যে থেকে মুসলিম ঐক্য তৈরির আহ্বান জানানো হয়েছে। পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রকে চরম শত্রু হিসেবে বর্ণনা করে দুই পাতার এই প্রচার পুস্তিকায় বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় ‘খেলাফত’ প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ। আরবি শব্দে এই ‘খেলাফতে’র অর্থ হল বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে শরিয়ত শাসন। অর্থাৎ বলার অপেক্ষা রাখে না এই জঙ্গি সংগঠনের উদ্দেশ্য কী? জানা যাচ্ছে, সিরিয়ার মাটিতে নৃশংসতার নজির গড়া জঙ্গি সংগঠন আইএসআইয়ের সঙ্গে যোগ রয়েছে। বাংলাদেশের মাটিতে যেভাবে সন্ত্রাসবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে শুরু করেছে তা চিন্তা বাড়ছে। হিজবুত তাহরির প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের সার্বভৌমত্বকে আঘাত ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রয়াসে অনলাইনে দেশবিরোধী প্রচারণায় অংশ নিতো যা এখন প্রকাশ্যে । See less
