শামিন মাহফুজ ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’ নামে একটি জঙ্গি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা, যে জঙ্গি সংগঠনটি দেশের পার্বত্য এলাকায় বম পার্টি নামে পরিচিত বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কেএনএফ’র সঙ্গে গাটছঁড়া বেধে যৌথভাবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। সিটিটিসি তখন বলেছিল, সেটা ছিল শামিনের তৃতীয় দফা গ্রেপ্তার।
সিটিটিসির তথ্য অনুযায়ী, শামিন মাহফুজ ১৯৯২ সালে রংপুর ক্যাডেট কলেজ থেকে এসএসসি ও ১৯৯৪ সালে এইচএসসিতে পাস করেন। দুই পরীক্ষাতেই মানবিক বিভাগ থেকে মেধা তালিকায় স্থান ছিল তার। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন।
মাস্টার্সের পরে রাজধানীর একটি কলেজে কিছুদিন শিক্ষকতা করেছিলেন শামিন। এরপর শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে। শিক্ষকতার কারণেই শামিন জঙ্গি সংগঠনে ‘স্যার’ হিসেবে পরিচিতি পান বলে এর আগে র্যাব জানিয়েছিল।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় শামিনের বন্ধুত্ব হয় চারুকলার শিক্ষার্থী নাথান বমের সঙ্গে, যিনি এখন পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট-কেএনএফ বা ‘বম পার্টি’র প্রধান।
তখন সিটিটিসির তরফে বলা হয়, গবেষণা ও খামারের আড়ালে ‘উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে’ যুক্ত থাকার অভিযোগে ২০১১ সালে বান্দরবানের থানচি থানার একটি মামলায় শামিন গ্রেপ্তার হন। প্রথমবার গ্রেপ্তারের পর জামিনে বের হয়ে জঙ্গি তৎপরতা অব্যাহত রাখেন শামিন।
২০১৪ সালে যাত্রাবাড়ী থেকে তাকে আবারও গ্রেপ্তার করা হয়। ২০১৮ সালে জামিনে বের হওয়ার পর শামিন সস্ত্রীক আত্মগোপনে থেকে নতুন সংগঠন করার প্রক্রিয়া শুরু করেন বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাষ্য।
সুত্র: বিডি নিউজ ২৪ ডট কম