গত কয়েক সপ্তাহে কিছু ঘটনা সত্যিই দেশের আইন-শৃংখলা বাহিনী বা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সাধারন নাগরিকের মনে প্রশ্ন উঠছে।
অর্ন্তবর্তী সরকারের অধীনে ১২ ফেব্রুয়ারি দেশে সাধারন নিবার্চন অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যেই আমরা দেখতে পাচ্ছি শুরু হয়েছে ভয়ংকার সব
অস্ত্রের মহড়া, হত্যা-খুনে লেগেই আছে সর্বত্র। দেখতে পাই নারায়নগঞ্জে মাদ্রাসায় ভয়াবহ বিষ্ফোরণ। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ড্রামভর্তি প্রায় ৪০০ কেজির মতো রাসায়নিক লিকুইড বিস্ফোরক দ্রব্যাদি এবং জঙ্গি সংশ্লিষ্ট বই ও লিফলেট। বিধবা নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর চুল কেটে নির্যাতন, নারী শ্রমিককে চাকরির প্রলোভনে ধর্ষণ পরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী ফাতেমা হত্যায়, মাদ্রাসা ছাত্র ও শিক্ষক দ্বারা গুলশানে নারীকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন, চলন্ত বাসে কলেজছাত্রীকে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ। এই ঘটনা প্রমাণ করে দেশের কি অবস্থা । একদিকে জঙ্গি বাদের উত্থান, অন্যদিকে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন সমানতালে ঘটেই চলছে প্রশ্ন হচ্ছে নিরাপত্তা ও সুসাশন কোথায়?
দেশে জঙ্গি, সন্ত্রাস ও নারী নির্যাতন চলছেই, প্রশ্নবিদ্ধ প্রশাসনের ভূমিকা
previous post
