ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামকে সন্ত্রাস বিরোরোধী আইনের এক মামলায় ছয় মাসের অন্তবর্তীকালীন জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট। এর আগে একাধিক মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেলেও একটির পর একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
সাদ্দাম কারাগারে থাকার কারণে হতাশায় সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা স্বর্ণালী প্রথমে তাদের নয় মাসের ছেলে সেজাদকে হত্যা করেন এবং পরে নিজে আন্তহত্যা করেন। গত শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামের বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ৷ পরদিন বিকেলে লাশবাহী গাড়িতে করে দুজনের লাশ যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়৷ কারাফটকে স্ত্রী-সন্তানের লাশ শেষবারের মতো দেখানো হয় সাদ্দামকে ৷ এ ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হয়। স্ত্রী–সন্তানের মৃত্যুতে সাদ্দামকে কেন প্যারোলে মুক্তি না দেয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে দেশের আইনের শাসন কি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নাকি রাজনৈতিক বৈষম্যের নীতি এখন চলছে? যে মৃত্যুও একটি মানুষকে প্যারোল মুক্তি দিতে পারে না।
