মানিকগঞ্জের পালাগান শিল্পী আবুল সরকারকে ঘিরে বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে যখন কিছু হুজুর-রূপী ভণ্ড ব্যক্তি সরাসরি তার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। ধর্মের নামে বিচার নেওয়ার এই ধরনের বর্বরতা এখন সমাজকে সবচেয়ে বেশি আতঙ্কিত করছে।
যে গোষ্ঠী ভিডিওর আংশিক অংশ কেটে মিথ্যা ছড়িয়েছিল, তারাই আবার রাস্তায় নেমে শিল্পীর ওপর আক্রমণ করে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেছে,,। আবার তাকে মামলা দিয়ে হাজতে রাখা হয় । এদের কাজ ধর্ম রক্ষা নয়, সমাজ ধ্বংস করা।আইনকে উপহাস করে রাস্তায় বিচার করা অপরাধ—আর এ অপরাধের শাস্তি খুবই কঠোর হতে পারে। সচেতন মহল বলছে— ধর্মের নাম ব্যবহার করে মানুষকে মারধর করা, আতঙ্ক সৃষ্টি করা, চাপ সৃষ্টি করা— এগুলো কোনোভাবেই ধর্মীয় কাজ নয়,,বরং ভণ্ডামির চরমস্হান। তএ ধরনের ভণ্ড বক্তাদের কার্যক্রম শুধু সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে না,বরং হামলা, উস্কানি ও মিথ্যা প্রচারণার প্রশাসনের উদ্দেশে সাধারণ মানুষের দাবি— এ ধরনের হুজুর-রূপী ভণ্ডদের যারা ধর্মকে ঢাল বানিয়ে মানুষের ওপর হামলা চালায়,মিথ্যা তথ্য ছড়ায়, সমাজকে উত্তেজিত করে—তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া অপরিহার্য।,কারণ আজ একজন শিল্পী আক্রান্ত হয়েছে,আগামী দিন এই ভণ্ডদের হাতে আরও মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—যদি এখনই আইন ব্যবস্থা কঠোর না করা হয়।শান্তিপূর্ণ সমাজের জন্য প্রয়োজন—ধর্মের নামে যারা সহিংসতা ছড়ায়,নিজেদের স্বার্থে বিভ্রান্তি তৈরি করে,এবং নিরপরাধ মানুষের ওপর হামলা চালাতে পিছপা হয় না—তাদের প্রতি রাষ্ট্র ও আইনের পক্ষ থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া উচিত। সাংস্কৃতিক অঙ্গন বলছে—শিল্পীর মুক্তি নয়,এই হুজুর-রূপী ভণ্ডদের কার্যকলাপই এখন তদন্তের প্রধান বিষয় হওয়া উচিত।আগের দিনে গ্রামবাংলার একমাত্র বিনোদনের উৎস ছিল এরকম বাউল সংগীত । কিন্তু ইসলামী এক ধর্মান্ধ লোকেরা তাদের মন গরা ফতুয়া দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করে এ আবুল সরকারের কি অপরাধ ছিল কেন তাকে আদালতে নেওয়া হল।রাষ্ট্রের আইন ব্যবস্হা কোন দিকে যাচ্ছে এটাই দেখার বিষয় । ধর্মান্ধরা এভাবে বিনোদনের জায়গা গুলোতে ধর্ম টেনে এনে তাদের আধিপত্য ছরাতে যাচ্ছে তা একটা সুস্থ সমাজ চায় না।
বাউল আবুল সরকারের কবিরা দুনাহ, তৌহিদি জনতার জিহাদি কান্ড
previous post
