বাংলাদেশে ইসলামি ধর্মীয় মৌলবাদের উত্থান হওয়ার কথা নয়। বাঙালি মুসলমানরা অন্য ধর্মের মানুষদের প্রতি অত্যন্ত সহনশীল। মুসলমান উপাসনালয় মসজিদ ও অন্য পাশে হিন্দুদের পূজার উপাসনালয় মন্দির। এখানে সমানভাবে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ নিজ নিজ ধর্ম পালন করে আসছে যেমন কেউ নামাজ রোজা, কেউ পূজা- আর্চনা, কেউ গির্জায় প্রার্থণা, কিছু মানুষ মাজার ভক্ত, বাউল গানে ভক্ত। ৫ আগষ্টের পর দেশে কিন্তু বেশ কিছুদিন থেকে তৌহিদী জনতার নামে মৌলবাদ এমনকি জঙ্গিবাদের উপস্থিতি লক্ষ করা যাচ্ছে। তারা মাজার ভাঙ্গে, নারীদের পোষাক নিয়ে নির্যাতন করে। ভাসমান যৌনকর্মীদের প্রকাশ্যে লাঠি দ্বারা শারীরিক নির্যাতন করে এমনকি সম্প্রতি তারা বিভিন্ন লোকসংগীত যেমন বাউল শিল্পীদের হামলা-মামলায় জড়িত। জুলাই আন্দোলনের পর ঢাকাসহ দেশের অনেক শহরে আন্দোলনকারীদের মাধ্যমে বিশেষ ধরনের চিত্রকর্ম দেয়ালে দেয়ালে অঙ্কিত হতে দেখা গেছে। সেই চিত্রগুলোয় ইসলামি রাষ্ট্রের দাবিসংবলিত বিভিন্ন স্লোগান, আরবি ভাষায় বাণী ও হিজবুত তাহরীর ও ইসলামি স্টেটের পতাকাসদৃশ চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। রাষ্ট্রকে এইগুলো রুখতে হবে না রুখতে পারলে বাঙ্গালি ঐতিয্য বিলীন হয়ে যাবে এবংজঙ্গি ও মৌলবাদের উত্থান ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠিত হবে।
