জঙ্গিবাদে নারী-পুরুষ বলে কিছু নেই জঙ্গি মানেই পুরুষ জঙ্গীদের ছবিই মনে ভেসে ওঠে। নারীর এই জঙ্গি তৎপরতায় যুক্ত হওয়ার প্রবণতার পেছনের কারণ কি?। জঙ্গিবাদের সঙ্গে নারীদের যুক্ত হওয়া খুব একটা নতুন ঘটনা নয়। ঢাকার আশকোনায় জঙ্গিবাদী ঘটনায় এক নারী আত্মঘাতী হয়েছিলেন আশকোনার ঘটনার পর বিষয়টি আবার সামনে আসে। কেন নারীরা সন্তানসহ যুক্ত হচ্ছেন জঙ্গিবাদের মতো ভয়ঙ্কর অপরাধমূলক তৎপরতায়।। কারা নারীদের জঙ্গি সংগঠনগুলোতে মোটিভেট করে জঙ্গি কাজে যোগদান করোচ্ছে? গবেষণায় দেখা যায় জঙ্গী সংগঠনগুলোর পুরুষ সদস্যদের সাথে বিয়ের মাধ্যমে এই নারীরা যুক্ত হচ্ছে। নারীদের এ পথে যুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করে মূলত জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি)। ১৯৯৮ সালে জন্ম নেওয়া এই সংগঠনের নেতারা শুরু থেকেই বিয়ের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে আত্মীয়তা গড়ে তোলা এবং স্ত্রীদের সঙ্গে নিয়ে জঙ্গি কার্যক্রমে জড়ান। অতীতে এমনও দেখা গেছে যে স্বামী, বাবা বা ভাই জঙ্গি কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছেন, জামায়াতুল মুজাহেদিন বাংলাদেশ, জেএমবিসহ বেশ ক’টি জিহাদী সংগঠনে রয়েছে বহু নারী সদস্য। জঙ্গি সদস্যদের স্ত্রীদেরকে সংগঠনের সাথে যুক্ত করার এই প্রবণতা শুরু থেকেই ছিল। ঘর ভাড়া পাওয়া , স্ত্রী সন্তান সহ যাতায়াত করা – সবক্ষেত্রেই এটা সুবিধাজনক হয়। এই নারীদের জঙ্গী সংগঠনের সদস্য হন। তারা স্বামীদের দ্বারা জঙ্গী মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ হন এবং সকল কাজেই সহযোগিতা করেন। তারা অস্ত্র বহন বা তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে, তারা গ্রেফতার হয়েছে, কিন্তু সরাসরি তারা ট্রেনিং নিয়েছে বা কোন অপারেশনে অংশ নিয়েছে এমনটা দেখা যায়নি।
