৫ আগষ্টের পর দেশে একটি কালচার লক্ষ্য করা যাচ্ছে উগ্র সন্ত্রাসী জঙ্গি মৌলবাদীরা সাধারন মানুষের ধর্মীয় আবেগকে পুজি করে মব সৃষ্টির মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে মাজার ভাঙা ও মাজারে অগ্নিসংযোগ করছে। অন্তর্বর্তী সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নেয়নি, বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে মৌণ সমর্থন কথা ও মানুষ বলেছে। এটা সরকারের মারাত্মক দুর্বলতা।এই সুযোগে একের পর এক মাজার ভাঙা হয়েছে। একজন মৃত মানুষের লাশ কবর থেকে তুলে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিকভাবে দেশের ভাবমূর্তি যেভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। এটা প্রকট মানবাধিকারের লঙ্ঘন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।ভিন্ন ধর্ম বা মতের উপসনালয় বা মাজার ভাঙা প্রচলিত আইনে একটা ফৌজদারি অপরাধ। এছাড়াও ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা করা গণতন্ত্রের মুল কখা, প্রত্যেকের ধর্ম, তাঁরা তাঁদের নিজের মতো পালন করবে এটাই নিয়ম। এতে কেউ যাতে হস্তক্ষেপ করতে না পারেন, সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের।
একজন মানুষ মাজারে যাব, নাকি অন্য ধর্মীয় উপসনালয় যাবে সেটা একান্ত তার গণতান্ত্রিক অধিকার। দেশেতো কত মাদরাসার শিশু যৌন নিপীড়ন, নির্যাতনসহ খারাপ কাজের সংবাদ পত্রে আসে। মাজার যারা যায় তারা কি কখনও মাদরাসা বন্ধ করতে বলেছে? তাহলে মাজারে যদি কোনো খারাপ কাজ হয়ে থাকে তাহলে বলুন, ওটা বন্ধ করা হবে, সংশোধন করা হবে। কিন্তু মাজার যখন আপনারা ভাঙেন তখন এটা ইসলামের চিন্তার মধ্যে পড়ে না।
