বাংলাদেশে গোয়েন্দা সুত্রের ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার আশঙ্কাকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থায় জোরদার হয়েছে। এর অংশ হিসেবে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের সব বিমানবন্দরে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যেই স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী ও তধ্য উপদেষ্টার ভিন্ন বক্তব্য সাধারন মানুষের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। বিগত সরবকারের আমলে কারাগারগুলোতে আটক জঙ্গিদের মধ্যে বিভিন্ন নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আনসারউল্লাহ বাংলা টিম, হরকাতুল জিহাদ, জেএমবি, হিজবুত তাহরীর, আনসার আল ইসলাম, আল্লাহর দল, জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারকিয়া, কেএনএফ, কেএনএ ও আরসার সদস্যরা। ৫ আগস্টের পর কারাগার ভেঙে বন্দী পালানো এবং অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটেছিল। সেই সুযোগে কিছু জঙ্গিও পালিয়ে যায়, যাদের অনেকেই এখনো গ্রেফতার হয়নি। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার আশঙ্কা নিয়ে যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা উচিত।
