রাজধানীর তেজগাঁও কলেজ জামে মসজিদে গোপন বৈঠকের সময় আটক ২৩ জনের মধ্যে ১২ জনের বিরুদ্ধে জঙ্গি কানেকশন পেয়েছে পুলিশ। জঙ্গি কার্যক্রম সন্দেহে তাদের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিটিটিসির পুলিশ পরিদর্শক মো. আখতার মোর্শেদ আসামিদের প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, আসামিরা দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির পরিকল্পনা করেছেন এবং জিহাদ করার জন্য লোক সংগ্রহ করছেন। তাদের সঙ্গে আরও কারা জড়িত সে তথ্য উদ্ঘাটনের জন্য রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন। আসামি পক্ষের আইনজীবী রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন আবেদন করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন-মো. শিহাব উদ্দিন, মারজুক আহমেদ, সাইফুর রহমান খান, মো. রাস্মি মিয়া, মো. কামিছুল ইসলাম, মো. সাজ্জাদ হোসেন, আফিফ আহমেদ, মো. মোহাইমিনুল হক, জাওজি চৌধুরী, শাহাদাত হোসেন, সাকিব আহমেদ ও জুনায়েদ আহমেদ। সিটিটিসি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার শিহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে আগেও উগ্রবাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে নরসিংদীর পলাশ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা বিচারাধীন। এ ছাড়া মারজুক আহমেদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলা বিচারাধীন। এর আগে গত শুক্রবার বিকালে রাজধানীর ফার্মগেটের তেজগাঁও কলেজের মসজিদের দ্বিতীয় তলা থেকে জঙ্গি সন্দেহে ২৩ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের তথ্য যাছাইবাছাইয়ের পর ১১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১২ জনের বিরুদ্ধে শেরেবাংলানগর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা এবং সেই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
সুত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন
