পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে তাবিজ ও কবিরাজি চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে এক গৃহবধূকে (২৭) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব (৪৫) নামের এক পল্লী চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত মাহাবুব মাধবখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি এবং উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাঁঠালতলী বাজারে মাহাবুবের একটি ফার্মেসি রয়েছে। সেখানে ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি তিনি কবিরাজি চিকিৎসা ও তাবিজ-কবচ দিতেন। সেই সুবাদে ভুক্তভোগী গৃহবধূর সাথে তার পরিচয় হয় এবং নিয়মিত ফোনে কথা হতো। গৃহবধূ তার ভাতিজির পড়াশোনার উন্নতির জন্য মাহাবুবের কাছে তদবির চান।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে মাহাবুব মোবাইল ফোনে গৃহবধূকে তদবির নেওয়ার জন্য তার বাড়িতে যেতে বলে। গৃহবধূ রাত ৮টার দিকে মাহাবুবের উত্তর চৈতার বাড়িতে যান। সেখানে গেলে মাহাবুব কৌশলে সময়ক্ষেপণ করতে থাকে। এক পর্যায়ে ঘরে অন্য কাউকে না দেখে গৃহবধূ চলে আসতে চাইলে মাহাবুব তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।
এ ঘটনায় শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযুক্ত মাহাবুবকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আসামিকে গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
অভিযুক্তের রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যাপারে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সুত্র: যায়যায়দিন
