গত ফেব্রুয়ারি মাসে মালয়েশিয়ায় জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে সাজা খেটেছেন মাসুদুর রহমান একজন প্রবাসী। আসামি মালয়েশিয়ায় জঙ্গি কার্যকক্রমে জড়িয়ে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে। তাঁর কারণে আমাদের দেশের শ্রমবাজারে সমস্যা হয়েছে। তিনি জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে ওই দেশে জেল খেটেছেন। আসামি মালয়েশিয়া অবস্থানকালে বিভিন্ন নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন—হামাস, তালেবান এবং আল-কায়েদার বিভিন্ন ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা জানান। মালয়েশিয়ার আদালত আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দেন।
সাজা শেষে তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। আসামিকে বাংলাদেশেও গ্রেপ্তার করা হয়।
সম্প্রতি সিঙ্গাপুরে অবস্থানকালে জঙ্গি সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থাকার সন্দেহে দুই প্রবাসিকে সেখানকার পুলিশ তাদের আটক করে।
আসামিরা সিঙ্গাপুরে অবস্থানকালে বিভিন্ন নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত থাকার কথা জানিয়েছে। বাংলাদেশের কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের সাথে জড়িত কি না, কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে নিষিদ্ধ কার্যক্রম পরিচালনা করে কি না এবং জঙ্গি কার্যক্রমের অর্থের জোগানদাতা কে বা কারা—তা অনুসন্ধ্যানের জন্য রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। ছয় মাসের ব্যবধানে দুই দেশ থেকে জঙ্গি কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমানিত সত্যিই দেশের ভাবমূর্তি খুবই ক্ষুণ্ন করছে । সরকারকে বিষয়টি গুরত্বের সাথে আমলে নিয়ে জঙ্গিবাদে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
