সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে যা ফের উগ্র নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের জঙ্গি তৎপরতা দেখা যাচ্ছে গত ১২ আগস্ট সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকায় তিনতলা একটি বাড়ি ঘিরে অভিযান চালায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বা সিটিটিসি ইউনিট৷ সেখান থেকে একটি সন্দেহজনক প্রেশার কুকার বা ‘কেটলি বোমা’ এবং বিপুল পরিমাণ গান পাউডারসহ বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়৷ গত ৩০ জুলাই সাভারের আশুলিয়ায় একটি মুদিদোকানে ফেলে যাওয়া ভ্রমণ ব্যাগ থেকে বিশেষ কায়দায় তৈরি একটি বোমা উদ্ধার করে পুলিশ৷ ২৪ জুলাই ঢাকার মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকে একটি ছাতার ভেতরে রাখা বোমাও উদ্ধার করে পুলিশ৷ গত জানুয়ারিতে ঢাকার কেরাণীগঞ্জে একটি মাদ্রাসা এবং শরিয়তপুরের জাজিরায় ককটেল বানানোর সময় বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনা ঘটে৷ ঢাকার কেরাণীগঞ্জে মাদ্রাসায় বিস্ফোরণের ঘটনায় জঙ্গিবাদ মামলার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জড়িত থাকার অভিযোগ সামনে আসে৷ এই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে এবং অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট ঘটনার তদন্ত করছে৷ এসব ঘটনাক্রমের মধ্যেই কদিন আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যানবাহনে হামলার আশঙ্কা থেকে সারা দেশে সতর্কতা জারি করে বার্তা দিয়েছিল বাংলাদেশের পুলিশ সদরদপ্তর৷ এবার একটু পিছনে ফিরে তাকাই বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়া অন্তত ৬৯০ বন্দির এখনো খোঁজ মেলেনি৷ জুলাই আন্দোলন চলার সময় ২০ জুলাই নরসিংদী জেলা কারাগারে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে ৯ জঙ্গিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তাদের সহযোগিরা । ৯ জনের মধ্যে চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ এখন পর্যন্ত জেলখানা থেকে পালানো ৯৮ জঙ্গির ৭০ জনই সাজাপ্রাপ্ত৷ তাদের মধ্যে ২৭ জনকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি৷
