বাংলাদেশে অরাজকতা ও জঙ্গি তৎপরতার পরিস্থিতি দিন দিন পনুরায় মাথাচাড়া দিচ্ছে। জেএমবিসহ নিষিদ্ধ একাধিক নিষিদ্ধ সংগঠনের বিরুদ্ধে। দেশে জঙ্গিবাদ পুরোপুরি নির্মূল হয়নি; বরং নীরবে সংগঠিত হয়ে বিভিন্ন কৌশলে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা চলছে। বড় ধরনের হামলা না থাকলেও উগ্রবাদী নেটওয়ার্ক পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি। অনলাইনে যোগাযোগ, ছোট পরিসরে সংগঠন গঠন এবং ‘লো-প্রোফাইল’ কার্যক্রমের মাধ্যমে পুনরায় সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ছোট ছোট সেলভিত্তিক নেটওয়ার্কে কার্যক্রম পরিচালনার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সংগঠনগুলোর প্রধান কৌশলের মধ্যে রয়েছ স্বল্প সক্ষমতার বিস্ফোরক বা গোপন অস্ত্র প্রস্তুত এবং এনক্রিপ্টেড বা গুপ্ত অ্যাপের মাধ্যমে গোপন যোগাযোগ। বিগত ছয় মাসে দেশে জঙ্গি সংগঠনগুলোর তৎপরতা বিশ্লেষণ করলে এটা প্রতীয়মান হয় যে, বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতা বেড়েছে। জঙ্গিবাদ বর্তমানে দৃশ্যমান না থাকলেও ঝুঁকি পুরোপুরি শেষ হয়নি।
কারণ সম্প্রতি পুলিশ সদর দফতরের চিঠিতে এই মর্মে সর্তক করা হয় যে নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্রবাদী সংগঠনের সমর্থকদের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার পরিকল্পনার তথ্য পাওয়া গেছে। এটাই প্রমাণ করে ফের দেশে অরাজকতা ও জঙ্গি তৎপরতার পরিস্থিতি দিন দিন পনুরায় মাথাচাড়া দিচ্ছে।
