হেফাজতে ইসলামকে উগ্র জঙ্গি সংগঠন হিসাবে আখ্যায়িত করে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের শীর্ষ ৫৫১ আলেম।
আজ শনিবার দেওয়া ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০১০ সালে হেফাজতের জন্মের পর থেকেই তারা সহিংসতা করে আসছে। তারা কখনো ইসলাম প্রচারক আল্লাহর অলিদের মাজার খানকাহ শরিফ ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে, আবার কখনো দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ সুফিবাদী সুন্নি জনতাকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দিয়ে এ দেশে উগ্র জঙ্গিবাদ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। তাদের সঙ্গে ইসলামের দূরতম সম্পর্কও নেই।’
হেফাজতে ইসলামকে জঙ্গি সংগঠন আখ্যায়িত করে একে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান তারা।
আহলে সুন্নাতের আলেমরা বলেন, ‘ইসলাম হেফাজতের নামে উগ্র হেফাজতিদের রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের উচ্চাভিলাষ ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে গোটা আলেম সমাজ আজ লজ্জিত হয়েছে।’
দেশে প্রচলিত শিক্ষা আইন বা নীতিমালাবিরোধী কওমি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বোর্ডগুলোর ওপর পরিপূর্ণ সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়ে দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সর্বস্তরের জনসাধারণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান তারা।
আহলে সুন্নাত নেতারা দেশবাসীকে আলেম লেবাসধারী এই জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করারও আহ্বান জানান।
আহলে সুন্নাত ওয়াল জমা’আত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মুঈনুদ্দীন আশরাফী ও মহাসচিব সৈয়দ মছিহুদ্দৌলাহ স্বাক্ষরিত যৌথ বিবৃতিতে অন্যান্যদের মধ্যে স্বাক্ষর করেন সৈয়দ অছিয়র রহমান, সোলাইমান আনসারী, আব্দুল বারী জিহাদি, এম এ মান্নান, নুরুল আলম হেজাজী, কাজী আব্দুল ওয়াজেদ, এম এ মতিন, কাজী হারুনুর রশীদ, আশরাফুজ্জমান কাদেরি, স উ ম আবদুস সামাদ, মুখতার আহমদ, আফজাল হোসাইন এবং আব্দুল আলিম রেজভী প্রমুখ।
দ্য ডেইলি ষ্টার
