মালয়েশিয়া ও পাকিস্তানে বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সামনে আসায়, ফের আলোচনায় এদেশের জঙ্গি তৎপরতা। এই জঙ্গি তৎপরতা দেশ ছাড়িয়ে পৌচ্ছে গেছে বিদেশে। গত ৫ অগাস্টের পর বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ মামলায় শত শত আসামি জামিনে মুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে হত্যা মামলার কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিও রয়েছেন। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান আলোচিত মুফতি জসীম উদ্দিন রাহমানী জামিনে মুক্ত। এরা পুনরায় জিহাদের নামে বিশৃঙ্খলা তৈরি করার জন্য মুসলমান ইয়াং-আবেগি তরুণদের কো-আপ্ট করচ্ছে। আইন-শৃংখলা বাহিনীর শিথিলতার সুযোগে এই সমস্ত জঙ্গি সংগঠনের নেতারা দেশ-বিদেশে তাদের মিশন সফল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মাসুদুর রহমান নামে বাংলাদেশি যুবক মালেশিয়ায় অবস্থানকালে আল কায়েদা, হামাস, তালেবানসহ জঙ্গি-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট করে। এজন্য তাকে জঙ্গি সন্দেহে মালয়েশিয়া পুলিশ আটক করে। এর সঙ্গে বাংলাদেশের ভাবমূর্তির বিষয়টি উল্লেখিত। পুলিশ সুত্রের মাধ্যমে জানা যায় পাকিস্তানে বর্তমানে ২৫ থেকে ৩০ জন বাংলাদেশি সক্রিয়ভাবে জঙ্গিবাদে যুক্ত। ফয়সাল হোসেন (২২) নিহত হন এই বছর সেপ্টেম্বরে, জুবায়ের আহমেদ (২২) নিহত হন এই বছর এপ্রিলে। তৃতীয় যুবক রতন ঢালির মৃত্যুর তথ্যটি নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। দুবাইয়ের চাকুরীর লোভ দেখিয়ে তাদের হয়। ফয়সাল ও রতন দুজনই ঢাকা শহরের একই হিজামা ক্লিনিকে কাজ করতেন। জুবায়ের উমরাহর পর সউদি আরব থেকে বৈধভাবে পাকিস্তানে প্রবেশ করেন। সময়ের দাবি বাংলাদেশে এদের এজেন্ট কারা তা অতি সত্ত্বর খুজে বের করতে হবে।
