দেশে জঙ্গি আছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, সরকার এটাকে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার চেষ্টা করছে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, এর আগে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় জঙ্গি হামলার আশঙ্কার কথা বলা হয়েছিল। দুদিন আগে বলা হয়, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলার শঙ্কা রয়েছে। আর সোমবার বিমানবন্দরগুলোকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদারের কথা জানানো হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আমরা দেখেছি, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা বিভিন্ন সময়ে বলেছেন, দেশে প্রকৃত অর্থে জঙ্গি নেই। এখন প্রশ্ন হলো-সরকার কি সত্যিই মনে করে দেশে জঙ্গি তৎপরতা নেই? সরকারের কাছে কতখানি তথ্য আছে?
এমন প্রশ্নে উপদেষ্টা বলেন, প্রথম কথা হচ্ছে সরকারের কাছে কতখানি তথ্য আছে এটা বলা যাবে না। এটা একটা সেনসিটিভ (সংবেদনশীল) তথ্য। এই তথ্যটা গোপন থাকবে। কিন্তু যেটুকু তথ্য সরকার জানিয়েছে, এটা ফ্যাক্ট। বাংলাদেশে জঙ্গি আছে।
তিনি বলেন, দেশে জঙ্গিবাদী তৎপরতা নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে যেটা বলা হতো এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যেটা বলা হয়েছে-এ দুটি ভাষ্যই ‘এক্সট্রিম’ (চরম পর্যায়ের)। এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় জঙ্গি সমস্যাকে যে মাত্রায় দেখানো হয়েছে, সেটা তাদের ক্ষমতায় থাকার একটা ‘ন্যারেটিভ’ (বয়ান) হিসাবে তারা ব্যবহার করেছিল যে বাংলাদেশে জঙ্গি আছে, জঙ্গিরা সব দখল করবে। সুতরাং তারা (আ.লীগ) নির্বাচন করল কি না, সেটা দেখার দরকার নেই, তাদের ক্ষমতায় রাখো। সে জায়গা থেকে ওই সরকারের সময় জঙ্গিবাদ নিয়ে অতিরঞ্জন করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে, ইন্টেরিমের সময় কেউ কেউ আলাপ করার চেষ্টা করেছেন যে বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি নেই। এটাও আরেকটা এক্সট্রিম। এটাও ভুল কথা। জাহেদ উর রহমান বলেন, বাংলাদেশে একটা পর্যায়ে মিলিট্যান্সি, জঙ্গিবাদ ছিল এবং আছে। সেটাকে আমরা আসলে কমব্যাট (মোকাবিলা) করতে চাই।
সুত্র: যুগান্তর
