নারী ধর্ষণ ও নির্যাতেনের কয়েকটি ঘটনা উল্লেখ না করলে নয়। দেশে এতো নারীবাদী সংগঠন, এনজিও, সমাজকর্মী, তবুও কেন প্রতিনিয়ত নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন বাড়ছে। এর কারণ হচ্ছে দেশের আইনী কাঠমো শক্তিশালী না। অপরাধী অপরাধ করে আইনের ফাঁক দিয়ে অনায়সে ছাড় পেয়ে যায়। নির্যাতিতদের উপর বেড়ে নির্যাতন ও ভয়ভীতি ও মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি। প্রায় মাস দুয়েক আগে ঢাকায় রামিসা নামে শিশুকে ধর্ষণ পর হত্যা করা হয়। রামিসার হত্যার ব্যাপারটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এর বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হয়েছে। অথচ এইচআরএসএস প্রতিবেদনে গত ছয় মাসে দেশে ৪০৪টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২৩৮ শিশু ও কিশোরীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এছাড়া, ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ১৭ জনকে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ছয় মাসে ৮৮ নারী ও শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে। ৪৭৬ নারী ও শিশুকে যৌন নিপীড়ন করা হয়েছে। কয়েজনের বিচার সম্পন্ন হয়েছে। চলতি মাসে ও থেমে নেই ধর্ষণ-নির্যাতন। জামালপুরে ৭ বছরের শিশু ধর্ষণের অভিযোগ, চলন্ত বাসে পোশাক শ্রমিককে ধর্ষণচেষ্টা, পঞ্চগড়ের প্রতিবেশী দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ। এই সংবাদগুলো পত্রিকায় আসার কারণে আমরা জানতে পারি। এভাবে সংবাদের আড়ালে হাজারো নারী ও শিশু ধর্ষণ নির্যাতনের শিকার হচ্ছে আর অপরাধীরা দূর্বল আইনী কাঠমোর মাধ্যমে অপরাধ করেও মুক্ত হচ্ছে। নারী ধর্ষণ ও নির্যাতন কমাতে হলে সবার দেশের আইনে পরিবর্তন আনতে হবে এবং সাথে সাথে আইনের সঠিক প্রয়োগ করতে হবে।
