৫ আগষ্ঠ ২০২৪ এর অর্ন্তবতী সরকারের উচ্চ পর্যায়ে থেকে বলা হয়েছে দেশে জঙ্গি নেই। আবার পুলিশের বড় কর্তারা বলছেন জঙ্গিগোষ্ঠীর সাংগঠিনিক সক্ষমতা নেই। বা উগ্রবাদ আছে, ‘জঙ্গি নেই। বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে জঙ্গি তৎপরতা নিয়ে কথাবার্তায় এক ধরনের অস্পষ্টতা ও শব্দগত রাখঢাক রয়েছে।বাংলাদেশে ‘জঙ্গি তৎপরতা’ ইস্যুতে বর্তমান সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টার পরস্পরবিরোধী বক্তব্য সেই বিভ্রান্তিকে আরও স্পষ্ট করে। তবে, দেশে যে উগ্রবাদের উপস্থিতি রয়েছে, তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাম্প্রতিক পদক্ষেপ থেকেই বোঝা যায়।সম্প্রতি পুলিশ সদর দপ্তর থেকে একটি সতর্কতামূলক নির্দেশনা জারির পর দেশের প্রধান বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করতে দেখা গেছে।
২০০৯ সালে নিষিদ্ধ হওয়া সংগঠন ‘হিযবুত তাহরীর’ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর রাজপথে প্রকাশ্য সমাবেশ ও লিফলেট বিতরণ শুরু করেছে।
যদিও পুলিশ সদর দপ্তর তাদের কার্যক্রমকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করেছে, তবুও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সংগঠনটির এই প্রকাশ্য তৎপরতা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য নতুন মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে জঙ্গি সংগঠনের খবর পাওয়া যায়। জঙ্গিগোষ্ঠীর সাংগনিক সক্ষমতা না থাকলেও তৎপরতা কমেনি।
