সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিস শূরার সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের একটি গোপন কক্ষে মরিয়ম নামে ১৮ বছরের তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ভিডিও নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এমপির ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে র ভিডিও ফাঁস হওয়ার পর , প্রথমে তারা বলছিলেন ভুয়া, এআই দিয়ে তৈরি৷ পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওকে আসল বলে জানায় ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার। এখন এমপি দাবি করছেন, মেয়েটি নাকি তার দ্বিতীয় বউ! মেয়েটির জন্ম ২০০৮ সালের মে মাসে৷
মে মাসে ১৮ পূর্ণ হয়েছে। ৭৫ বছর বয়েসি এমপির দাবি অনুযায়ী ১৭ই জুন বিয়ে হলে ওই দিন তরুণীটির বয়স ছিল ১৮ বছর ২৬দিন। দ্বিতীয় স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান ৫৫বছর। অসহায় নারীরা যখনই সাহায্য-সহায়তার আবেদন নিয়ে ধর্ম ব্যবসায়ী ও জান্নাতের টিকেট বিক্রয়কারী এমপির কাছে এসেছিলেন একটি চাকুরির আশা নিয়ে৷ আর এমপি সাহেব সুযোগ ছাড়লেন না। নিজে চরিত্রার্থে মেয়েটির অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে যৌন-লালসা তার উপর ঝাপিয়ে পড়লেন। ভিডিও ফুটেজে এমপির অফিস কক্ষে ঘটা ঘটনা দেখলেও বোঝা যায় তারা স্বামী-স্ত্রী নন—একটি অসহায় মেয়েকে বাধ্য করছেন৷ এখন ধর্ম ব্যবসায়ী ও জান্নাতের টিকেট বিক্রয়কারী ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তরুনীর সাথে বিয়ে বিভিন্ন ধরনের সাপাই স্বাক্ষীর ব্যবস্থা করছে। এদের কাছে নাকি নারীরা নিরাপদ!
